![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
![]() |
|
Home :: News :: Terms of Use |
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত দায়িত্ব প্রক্টরের উপর ন্যস্ত্৷ তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলা দায়িত্বে নিয়োজিত৷ কয়েকজন সহকারী প্রক্টরের সহায়তায় তিনি দায়িত্ব পালন করেন৷ শান্তি-শৃঙ্খলাভঙ্গের শাস্তি হিসাবে তিনি এবং সহকারী প্রক্টরবৃন্দ যে কোন ছাত্র-ছাত্রীকে নিদির্ষ্ট অংকের অর্থ জরিমানা করতে পারেন৷ কোন ছাত্র-ছাত্রী ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাজনিত কোন সমস্যার সম্মুখ্খীন হলে তা প্রক্টরের সাথে যোগাযোগ করে তাকে অবহিত করতে পারে৷
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, প্রাধ্যক্ষবৃন্দ, প্রক্টর, অনুষদ অধিকর্তাবৃন্দ ও সিন্ডিকেটের দুইজন সদস্য সমন্বয়ে ডিসিপ্লিন বোর্ড গঠিত৷ উপাচার্য এই বোর্ডের সভাপতি এবং প্রক্টর সচিব৷ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কোন ছাত-ছাত্রীকে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে জরিমানা, ট্রান্সফার সার্টিফিকেট প্রদান এবং রাস্টিকেট করতে পারেন৷
প্রাধ্যক্ষ হলের প্রশাসনিক প্রধান৷ হাউজ টিউটররা তার দায়িত্ব পালনে সহায়তা করেন৷ প্রাধ্যক্ষ তার হলের ছাত্রকে শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে জরিমানা করতে পারেন৷ উপাচার্য যদি মনে করেন যে, ছাত্রটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কারের যোগ্য, তাহলে তিনি ডিসিপ্লিন বোর্ডের সভা ডেকে বোর্ডকে অবহিত করেন৷ হলের আবাসিক ছাত্র-ছাত্রী যদি অসদাচারণ করে তাহলে সংশ্লিষ্ট প্রাধাক্ষ তাকে হল থেকে বহিস্কার করতে পারেন৷
যদি হক হলের ছাত্র অন্য হলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করে তাহলে ছাত্রটি যে হলের সেই হলের প্রাধ্যক্ষ ঐ অপরাধের জন্য শাস্তি বিধান করবেন৷ তবে যদি যে হলে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা ঘটেছে- সেই হলের প্রাধ্যক্ষ এতে সন্তুষ্ট না হন তাহলে তিনি প্রতিকারের জন্য উপাচার্যকে অবহিত করবেন৷
ক্লাশে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে কোন শিক্ষক ছাত্রকে জরিমানা/টিউটোরিয়াল ক্লাশ বা ব্যবহারিক ক্লাশে ঐ দিনের উপস্তিতি বাতিল এবং তত্ত্বীয় ক্লাশের তিন দিনের উপস্থিতি বাতিল করতে পারেন৷ বিভাগীয় সভাপতির মাধ্যমে তিনি তার সিন্ধান্ত প্রাধ্যক্ষকে জানাবেন৷ প্রয়োজনে আরো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি উপাচার্যকে অবহিত করতে পারেন৷ তথ্যসূত্র: নবীনদের জন্য তথ্য ২০০৪-০৫
Developed & Maintained by Xenex Web Solutions Best viewed with: Internet Explorer 6 or later |